
একাত্তর নিউজ ২৪,নিজস্ব প্রতিনিধি:
সৎ বোনের অত্যাচারে পিতার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন পুত্র শ্রীবাস দাস ও তার পরিবার। বিচারের আশায় প্রশাসনের দারস্থ হয়েও কোনো সুফল পায়নি তারা।
যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়ার সিঙ্গিয়া আদর্শ কলেজ এলাকায় এমন একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বানিয়ারগাতির দুলাল দাসের ছেলে শ্রীবাস দাস জানান আমার মায়ের মৃত্যুর পর আমার চাচারা আমাকে লালন পালন করেন। এরপর আমি দীর্ঘদিন আমার নানী বাড়িতে বসবাস করি। আমি বাবার বাড়িতে বার বার আসতে চাইলেও আমার সৎ বোন শিল্পী রানী দাস বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ হওয়ায়, আমাকে নানান হুমকি ধামকি দিয়ে আসতে বাঁধা দেয়। এরপর আমার সৎ বোন শিউলী, শংকরী, দিপালী ও ভগ্নিপতি অসিম দাস মিলে আমার বাবাকে ভূল বুঝিয়ে তার সম্পত্তি নিজেদের নামে লিখে নেয়। এখনো আমার বাবার নামে আড়াই শতাংশ বসতভিটা অবশিষ্ট রয়েছে, কিন্তু সেখানেও আমাকে আসতে দিচ্ছেনা। এলাকাবাসীরা একাধিকবার চেষ্টা করেও আমাকে আমার পৈতৃক বসত বাড়িতে উঠাতে পারেনি। আমি বাবারবাড়ি উঠতে চাইলে এর মধ্যে নানারকম হুমকি ধামকি দিয়ে আমাকে মারপিট পর্যন্ত করা হয়। এখন আমার সন্তান ও পরিবার নিয়ে থাকার মতো কোন বাসস্থান নেই। এর কোন সমাধান না পেয়ে গত ২৬ শে এপ্রিল যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো সুরাহা আমি পায়নি বরং অভিযোগের পর তারা আমাকে হেনস্থা করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে করেছে। এখন আমার পরিবার নিয়ে আমি কোথায় যাবো? কোথায় থাকবো? এব্যাপারে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এঘটনায় অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোফাজ্জেল হোসেন জানান, উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন। একাধিক বার উভয় পক্ষকে ডেকে সমাধানের চেষ্টা করলেও দুলাল দাস ও তার মেয়েরা বিষয়টি নিয়ে বসতে রাজি না হওয়ায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে সাধারণ ডায়েরি করে রাখা হয়েছে। তবে এঘটনা সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।