আজ - বুধবার, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি, (শীতকাল), সময় - বিকাল ৫:১৪

চৌগাছায় “তথ্য আপা’ প্রকল্পের উঠান বৈঠকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম

 এইচ এম ফিরোজ,চৌগাছা : যশোরের চৌগাছা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকাল ১০টায় তথ্য কেন্দ্র চৌগাছার আয়োজনে তথ্য আপা প্রকল্পের আওতায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

প্রিয়াংকা সাহার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুল ইসলাম। অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহাজান সিরাজ,তথ্য সহকারী সুমি খাতুন,সাংবাদিক এইচ এম ফিরোজ প্রমুখ।

 

এতে শতাধিক নারী অংশ গোহন করেন। ‘তথ্য আপা’র কাছে ফরিদা খাতুন প্রশ্ন ছিল, এবার তাঁর কাঁঠালগাছে মুকুল ঝরে পড়েছিল কেন? হনুফা বেগম জানতে চান, বাড়ির উঠানে বেগুন চাষ করতে হলে কী কী করা দরকার,কহিনুর বেগম বললেন আমার কিভাবে পুকুর ছাড়া মাছ চাষ করতে পারবো। রোকসানার ছেলে বেকার।

 

এ মুহূর্তে কোথায় আবেদন করলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে? তথ্য আপা তাৎক্ষণিকভাবে ল্যাপটপে ইন্টারনেট সচল করলেন। ওয়েবসাইট ঘেঁটে ওই সংক্রান্ত তথ্য সবার সামনে তুলে ধরলেন।

উপস্থিত সবার চোখে বিসঞ্চয়। সমবেত করতালি। তথ্য আপা জানালেন, এখন থেকে জীবন-জীবিকার জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য নারীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁরা সদা জাগ্রত আছেন।

 

আজ বুধবার সকালে চৌগাছা উপজেলার সদর ইউনিয়নের কয়াপাড়ার মধ্যপাড়ায় ‘তথ্য আপা’র এই উঠান বৈঠক বসার কথা থাকলেও আবহাওয়া জনিত কারনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় শতাধিক জন নারী অংশ নেন। জানা যায়, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য ‘তথ্য আপা’ নামে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প চালু করে। পাইলট (পরীক্ষামূলক) প্রকল্প হিসেবে ছয় মাস আগে থেকে দেশের ১০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চৌগাছায় জাতীয় মহিলা সংস্থা প্রকল্পটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করছে।

 

প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তিনজন নারীকে তথ্য সহকারী হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। মানুষের কাছে তাঁদের পরিচয় ‘তথ্য আপা’ হিসেবে। ছয় মাস ধরে তাঁরা পাড়ায় পাড়ায় উঠান বৈঠকের মাধ্যমে মানুষকে তথ্যসেবা দিচ্ছেন।

 

অনুষ্ঠানে বলা হয়, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বের অনেক দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সেবাদানে সাফল্য অর্জন করেছে। আমরা ততটা এগোতে পারিনি। অথচ বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এক পা এগোনো সম্ভব নয়।

 

অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহনকারীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফরিদা খাতুন,উর্মি খাতুন,খুরশিদা,কোহিনুর বেগম,শিউলী খাতুন,জিনিয়া,রনজুয়ারা,আমেনা,সোনিয়া,ছবিরণ,মনিরা,অজুফা সহ আরো অনেকে।

আরো সংবাদ
স্বাস্থ্য
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত