প্রকাশিত : » ১৪ জুন ২০২৬, সময়: » ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ, পঠিত: » 30 views
নাটোর জেলা প্রতিনিধি :
নাটোরের নলডাঙ্গায় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদকে দেখতে চান নলডাঙ্গার স্থানীয় জনগণ। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে ইতোমধ্যে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি, এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদ নলডাঙ্গারই সন্তান; একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী সাবেক ছাত্রনেতা। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি উপজেলার নানামুখী কল্যাণমূলক কর্মের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখার কারণে তিনি এ আসনের জন্য একজন যোগ্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে পারেন।
জানা গেছে, এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদকে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ও যুবদলের সএিয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটিতে। নাটোর জেলার ছাত্রদল কে সুসংগঠিত করার জন্য টিম মেম্বারদের নিয়ে কাজ করার সময় অন্যান্য উপজেলার ন্যায় নলডাঙ্গা উপজেলার জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তার সাংগঠনিক কার্যকর্মের দৃঢ়তা ও শ্রুতিমধুর কন্ঠের গঠনমূলক বক্তব্য নলডাঙ্গা বাসীদেরকে বিমোহিত করেছিলো।তৎকালীন সময়ে থেকে তিনি নলডাঙ্গাবাসীর নজর কেরে নিয়েছিল এবং তখন থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে নিয়ে এই গুঞ্জন শুরু হয় যে, ভবিষ্যতে নলডাঙ্গা উপজেলায় এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদকে নেতৃত্বে আসতে পারবে, অবস্থান গড়তে পারবে। নলডাঙ্গার গর্ব এই নেতা ছাত্রদল শেষে যুক্ত হন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কমিটিতে। বিএনপির ডাকে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন তিনি। ছাত্ররাজনীতির সময় থেকেই তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
স্থানীয় অনেক রাজনৈতিক কর্মী জানান, নলডাঙ্গার রাজনীতিতে ভালো ও দক্ষ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে তরুণ, শিক্ষিত ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দের কাছে পরিচিত একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে সাজু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তারা মনে করেন। তাদের মতে, তিনি যদি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন পান, তাহলে এলাকার উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে চেয়ারম্যান হলে তিনি শিক্ষা, অধিকার ও সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি সবসময় মানুষের পাশে থাকতে চান এবং দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান।
এব্যাপারে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, দলীয় কার্যক্রম, সামাজিক উদ্যোগ এবং তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন পেলে তিনি উপজেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নলডাঙ্গায় নতুন ও সক্রিয় নেতৃত্ব সামনে এলে রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। আর সেই জায়গায় এডভোকেট এম রাশেদুজ্জামান রাশেদ এর নাম ইতোমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছে।
উল্লেখ্য, সাবেক ছাত্রদল নেতা সাজু; কভিট ভাইরাস করোনা কালীন সময় প্রায় তিনটি বছর বিশ্ববাসী যখন ঘরবন্দী হয়ে জীবন যাপন করছিলো তখন নিজ দলীয় নেতা কর্মীদেরকে উজ্জীবিত রাখার জন্য প্রথমে ব্যক্তিগতভাবে ও পরে বিভিন্ন সামাজিকতার পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল প্রোগ্রামের আয়োজন করে দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। জুম মিটিং রুমে ভার্চুয়ালি মহিলা দলের নির্ধারিত প্রোগ্রাম আয়োজনের পাশাপাশি সাবেক সংগঠন ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরকে সংগঠিত করার জন্য দেশের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন জেলার ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহে একটি করে ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করতেন। নলডাঙ্গা উপজেলার ছাত্রদলের সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দদের নিয়েও তখন তিনি সভা করেছিলেন ।তার আয়োজিত এই সভা গুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকতে দেখা গিয়েছে বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের। নলডাঙ্গায় জন্ম নেওয়া এই বিচক্ষণ রাশেদ করোনা কালীন লকডাউনের সময় সাংগঠনিক তৎপরতা দেখিয়ে দল ও দেশবাসীর কাছে থেকে ভূয়সী প্রশংসা কুড়ান।