
একাত্তর নিউজ ২৪.কম :
যশোরের আলোচিত ও চিহ্নিত নারী প্রতারক মাহমুদা জামানের বিরুদ্ধে একদিনেই আদালতে ৮টি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) যশোরের বিজ্ঞ আদালত পৃথক এসব মামলা আমলে নিয়ে কোতোয়ালি থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগে গত ৭ মার্চ ভুক্তভোগীরা একজোট হয়ে শহরের দড়াটানা এলাকা থেকে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছিল।
আসামি মাহমুদা জামান যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের সদুল্যাপুর গ্রামের মুনসুর আলীর মেয়ে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
মঙ্গলবার যারা মামলা করেছেন তারা হলেন— শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডের দীপু খাতুন, পূর্ববারান্দী পাড়ার রমজান, সদর উপজেলার চাঁদপাড়ার শুকুর আলী, আল আমিন হোসেন, ঝুমঝুমপুর এলাকার সাইদুর রহমান রিপন, হামিদপুরের হাবিবুর রহমান, বাউলিয়া গ্রামের ইমরান হোসেন এবং সোহান হোসেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মাহমুদা জামান মূলত এনজিওতে উচ্চপদস্থ পদে চাকরি দেওয়া এবং বড় অঙ্কের (প্রায় ৫০ লাখ টাকা) ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন।
চাকরির প্রলোভন: দীপু খাতুনকে এনজিওতে চাকরির কথা বলে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইমরান হোসেনের কাছ থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
ঋণের ফাঁদ: শুকুর আলী, আল আমিন, হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্যদের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা করে নগদ গ্রহণ এবং নিরাপত্তার অজুহাতে ব্যাংকের একাধিক ফাঁকা চেক লিখে নিতেন মাহমুদা।
উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বারীনগর বানিয়ালি গ্রামের আব্দুস সোবহানের দায়ের করা একটি মামলায় তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। একদিনে ৮টি মামলা দায়েরের ঘটনায় জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।