আজ - বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - রাত ১০:৩৮

এডিস মশার অজানা অধ্যায়!

♦ অন্য সাধারণ মশা যেমন—কিউলেক্স ও অ্যানোফিলিস মশা একবার কামড়িয়েই রক্ত শুষে নেয়। কিন্তু এডিস মশার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, সে চার-পাঁচজন মানুষের দেহ থেকে একটু একটু করে রক্ত শুষে নেয়। সেই রক্ত দেহের স্যালিভারি গ্লান্ড বা লালাগ্রন্থির ভেতর পর্যন্ত যখন পৌঁছে, তখন সে ইনফেকটেড মশা বা জীবাণুবাহিত মশায় পরিণত হয়। এই ইনফেকটেড মশা যখন মানুষের কাছে রক্ত নিতে যায়, তখন সে একটা ফ্লুইড ছাড়ে, যাতে রক্তটা জমে না যায়। তখন রক্তে ভাইরাস সংক্রমিত হয়ে মানুষ ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়।

♦ প্রতিটি স্ত্রী এডিস মশাই ডেঙ্গু ভাইরাস বহন করে না। শুধু জীবাণুবাহী এডিস স্ত্রী প্রজাতির মশারাই ডেঙ্গু ভাইরাস বহন করে।

♦ এডিস মশা সারা দিনই কামড়ায়; কিন্তু বেশি কামড়ায় সকাল ও সন্ধ্যায়। রাতের উজ্জ্বল আলোতেও এডিস মশা কামড়াতে পারে। এরা হাঁটুর ওপর উঠতে পারে না এবং শুধু পায়ে কামড়ায়—এসব কথা ভিত্তিহীন। মানুষের দেহের সঙ্গে এরা বহুতল ভবনেও উঠতে পারে এবং সেখানে বাসা বাঁধতে পারে।

♦ জন্মের পর সাধারণত পাঁচ দিনের মতো সময় লাগে একটা এডিস মশা পরিপূর্ণ হতে। এরপর তারা ডিম পাড়ে। সাত থেকে ১০ দিনের মতো তারা বেঁচে থাকে। এই সময়ের মধ্যে স্ত্রী প্রজাতির ভাইরাস আক্রান্ত মশা কামড়ালে ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া আশঙ্কা থাকে।

আরো সংবাদ
স্বাস্থ্য
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত