প্রকাশিত : » ০৬ জুন ২০২৬, সময়: » ১০:১৪ অপরাহ্ণ, পঠিত: » 26 views
যশোর প্রতিনিধি, ৭১নিউজ ২৪:
যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জঙ্গলবাঁধাল এলাকায় ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে গভীর রাতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ও বিভিন্ন সরঞ্জাম তছনছ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে জঙ্গলবাঁধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা কার্যালয়ের লোহার গ্রিলের দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা অফিসে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্রেমে বাঁধানো ছবিসহ বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত করে।
শনিবার সকালে পথচারীদের নজরে বিষয়টি এলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। খবর পেয়ে এলাকাবাসীও কার্যালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হন।
ঘটনার খবর পেয়ে সদর উপজেলা বিএনপির প্রচার বিষয়ক সম্পাদক মো. সফিয়ার রহমান শফি, বসুন্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. ফিরোজ খান, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন,৭নং ওয়ার্ড সভাপতি রিয়াদুল হক মিল্টন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফাসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নেতৃবৃন্দ এ ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সদর উপজেলা বিএনপির প্রচার বিষয়ক সম্পাদক সফিয়ার রহমান শফি বলেন, রাতের অন্ধকারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তারা সন্ত্রাসী। তারা শান্ত বসুন্দিয়ার রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
খবর পেয়ে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মোফাজ্জল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার এবং দলীয় কার্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।