কয়েকদিন পর সে ডাক্তার রউফের পঙ্গু হাসপাতালে গেলে তাকে অপারেশন করতে হবে জানান ডাক্তার। অপারেশন পরবর্তীতে ব্যাথা অনুভব করলে পঙ্গু হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ঔষুধ প্রয়োগ করলে কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ৩৬ বছরের তরতাজা যুবক মেহেদি হাসান।
এ ঘটনার পর বেরিয়ে আসতে থাকে ডাক্তার রউফের পঙ্গু হাসপাতালের যত কুকর্ম। ডাক্তার রউফ সব সরকারের আমলে ক্ষমতাসীন নেতাদের ম্যানেজ করে চলেন। যে কারনে কোন সাধারন মানুষতো দুরের কথা প্রশাসনও ব্যবস্থা নিতে শংকা বোধ করেন। টাকা আর ক্ষমতার জোরে ঢাকা পড়ে ডাক্তার রউফ ও তার পঙ্গু হাসপাতালের একের পর এক কুকর্ম।
সোস্যাল মিডিয়াতে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে রউফ ও তার পঙ্গু হাসপাতালের কুকর্ম। বন্ধের দাবি তুলে একরে পর এক প্রতিবাদ জানিয়েছে মানুষ। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন মহল।










