আজ - বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - বিকাল ৪:০৮

বীর প্রতীক তারামন বিবির চির প্রস্থানের এক বছর পুর্তিতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী-71News24

শেখ গফ্ফার রহমান, একাত্তর নিউজ প্রতিনিধিঃ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিঝরা দিনগুলোতে অসীম সাহসিকতার সাথে অন্যরকম যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন এক দুর্ধর্ষ কিশোরী। এই দুর্ধর্ষ কিশোরীর নাম তারামন বিবি।

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য রান্না করা, তাদের অস্ত্র লুকিয়ে রাখা, পাকিস্তানী বাহিনীর খবর সংগ্রহ করা এবং সম্মুখযুদ্ধে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে লড়াই পর্যন্ত করেছিলেন তিনি।

সেই অসীম সাহসিকতার জন্য বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।

ডিসেম্বর বিজয়ের মাস। এমন একটি মাসের প্রথম দিনটিই অসম সাহসী যোদ্ধা তারামন বিবিকে স্মরণের দিন। এই বীর প্রতীকের প্রথম মৃত্যুবা‌র্ষিকী আজ। শ্বাসকষ্টজ‌নিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর তিনি কুড়িগ্রাম জেলার রাজীবপুর উপজেলার নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাঠি ইউনিয়নের কাছারিপাড়ার শংকর মাধবপুর গ্রামে তারামন বিবির জন্ম। শংকর মাধবপুরে ১১ নম্বর সেক্টরে কিশোর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার তারামন বিবিকে বীর প্রতীক খেতাব দেয়। কিন্তু এই মুক্তিযোদ্ধাকে খুঁজে বের করা সম্ভব হয় ১৯৯৫ সালে। ওই বছরের ১৯ ডিসেম্বর সরকারের পক্ষ থেকে তারামন বিবির হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

আজ খোজ নিয়ে জানা যায়, কু‌ড়িগ্রামে দিনটিতে তারামন বিবির গ্রামের বাড়িতে এই বীর প্রতীকের স্মরণে কোরআন খতমসহ মিলাদ ও দোয়া মাহ‌ফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

তারামন বিবির ছেলে আবু তাহের মায়ের প্রথম মৃত্যুবা‌র্ষিকীতে সবার কাছে মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

মৃত্যুবার্ষিকী পালনে প্রশাসন থেকে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মায়ের দাফনের পর থেকে সরকা‌র কিংবা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে কোনও ধরনের যোগাযোগ করা হয়‌নি। এমন‌কি মায়ের কবর‌টিও আমরা পা‌রিবা‌রিক উদ্যোগেই সংরক্ষণ করছি।’

আরো সংবাদ
স্বাস্থ্য
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত