আজ - শনিবার, ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি, (গ্রীষ্মকাল), সময় - সন্ধ্যা ৬:০৮

পদ্মাসেতুর ১০ম স্প্যান বসলে দৃশ্যমান হবে দেড় কিমি.

একাত্তর ডেস্ক :  পদ্মাসেতুর ১০ম স্প্যান বসছে আজ। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে দশম স্প্যানটি বসানো হবে সেতুর ১৩ ও ১৪ নম্বর পিলারের উপর। ১০ নম্বর স্প্যানটি বসানো হলে, জাজিরা ও মাওয়া দুই প্রান্ত মিলে দৃশ্যমান হবে সেতুর দেড় কিলোমিটার।

এর আগে সেতুর নবম স্প্যান বসে গত ২২ মার্চ। আর বুধবার দশম স্প্যান বসানোর মাত্র দশদিনের মাথায় ২০ এপ্রিল জাজিরায় ৩৪ ও ৩৩ নম্বর পিলারের উপর এগারোতম স্প্যানটিও বসে যাবে।

মঙ্গলবার সকালে দেখা গেছে, ক্রেনের সাহায্যে মাওয়া কনস্ট্রাকশান ইয়ার্ড থেকে স্প্যানগুলো ১০ নম্বর পিলারের দিকে নিয়ে গিয়ে রাখা হয়েছে। আগামীকাল সকাল থেকে ১৩ ও ১৪ নম্বর পিলারের উপর স্প্যানটি স্থাপনের কাজ শুরু হবে। এর আগে মাওয়া প্রান্তে একটি স্প্যান দৃশ্যমান থাকলেও সেটি এখনো পুরোপুরি বসানো হয়নি। অন্যদিকে জাজিরা প্রান্তে এখন পর্যন্ত বসানো হয়েছে ৮টি স্প্যান।

২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর খুঁটিতে বসানো হয় দ্বিতীয় স্প্যান। গত বছরের ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর খুঁটির ওপর বসে তৃতীয় স্প্যান। ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর খুঁটির ওপর চতুর্থ স্প্যান বসানো হয়। ২৯ জুন সেতুর পঞ্চম স্প্যান বসানো হয়েছে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকায়। এ বছরের জানুয়ারি মাসে জাজিরা প্রান্তের তীরের দিকের ষষ্ঠ শেষ স্প্যান বসে। এর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর ৯০০ মিটার দৃশ্যমান হয়। আর গত বছরের শেষ দিকে মাওয়া প্রান্তে ৪ ও ৫ নম্বর খুঁটির ওপর একমাত্র স্প্যানটি বসানো হয়। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।

বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০০৭ সালে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ওই বছরের ২৮ আগস্ট ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছিল। পরে আওয়ামী লীগ সরকার এসে রেলপথ সংযুক্ত করে ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথম দফায় সেতুর ব্যয় সংশোধন করে। বর্তমান ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি। মূল সেতু নির্মাণে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। আর নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেক প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন। দুই প্রান্তে টোল প্লাজা, সংযোগ সড়ক, অবকাঠামো নির্মাণ করছে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

আরো সংবাদ
স্বাস্থ্য
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত