আজ - রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি, (শরৎকাল), সময় - রাত ৪:৫৫

তাজমিন হ*ত্যা*র ঘটনায় আটক প্রধান সন্দেহভাজন সিএনজি চালক সুমন অত্যন্ত চতুর লোক

একাত্তর নিউজ ডেস্ক ২৪:

বিবস্ত্র করে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী তাজমিনকে হত্যার ঘটনার আটক প্রধান সন্দেহভাজন সিএনজি চালক সুমন অত্যন্ত চতুর প্রকৃতির লোক।
সে কোনো মোবাইল ফোনও ব্যবহার করে না। তার কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র নেই! ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান ট্র্যাক করা পুলিশের জন্য যথেষ্ট কঠিন ছিলো। কিন্তু পুলিশ দমে যায়নি।
ঘটনাস্থলে সিএনজি ফেলে যাওয়ার একটা ভুলের কারণেই পার পেতে পারেনি সে। তাজমিনের ম*দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ভ্যানিটি ব্যাগ জব্দ করে পুলিশ। সেই অটোরিকশার সূত্র ধরেই তদন্ত এগিয়ে নিতে ঘটনার সঙ্গে সুমনের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয় পুলিশ।
এরপর সুমনের দুলাভাই এবং খালা-শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে চট্টগ্রামে সুমনের ভাইয়ের বাসা থেকে তাকে আ*ক করা হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সন্দেহভাজন অটোরিকশাচালক সুমনের মূল বাড়ি কুমিল্লার জয়নগর এলাকায়। সে মূলত রাতে পদুয়ার বাজার ও আশপাশের এলাকায় অটোরিকশা চালাত। নিজের কোনো ঘরবাড়ি না থাকায় শ্বশুরবাড়িতে থাকতো। কিছুদিন আগে শ্বশুরবাড়ির ঘর বিক্রি করে সেখান থেকে চলে যায়।
স্থানীয় সিএনজি চালকদের মতে, সুমন চরম মা**কাসক্ত এবং বখাটে প্রকৃতির লোক। যে সিএনজিটি ঘটনাস্থলে পাওয়া গেছে, সেটি বাগমারা এলাকার মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তির। সুমন ওই সিএনজিটি দৈনিক ভাড়ায় চালাতো।
মৃ**র ঠিক আগে তাজমিন তার বাবার হোয়াটসঅ্যাপে যে ফোনটি দিয়ে লাইভ লোকেশন আর শেষ মেসেজ পাঠিয়েছিল, সেই মোবাইল ফোনটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ ধারণা করছে, সুমন বা তার সহযোগীরা ফোনটি কোথাও লুকিয়ে রেখেছে অথবা নষ্ট করে ফেলেছে। মামলার অন্যতম প্রধান আলামত হিসেবে এই ফোনটি উদ্ধারে জোর তৎপরতা চলছে।

সুমনকে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা জেলা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে। এই জঘন্য ঘটনার পেছনে আসল মোটিভ কী ছিলো? সুমনের সাথে কোনো কিশোর গ্যা* বা মা-**কাসক্ত চক্র জড়িত ছিল কি সেটাও খতিয়ে দেখবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

আরো সংবাদ
স্বাস্থ্য
ফেসবুক পেজ
সর্বাধিক পঠিত